
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জে রায়গঞ্জের ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট জিয়াউর ও তাঁর স্ত্রী গিলে খাচ্ছে ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদ। অবৈধভাবে অর্থ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তথ্য সূত্রে জানা যায়, মাত্র কয়েক বছর আগেও জিয়াউর রহমান ছিলেন দরিদ্রদের কৃষকের সন্তান। ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট হওয়ার পর পরিবর্তন হতে থাকে তার অর্থনৈতিক অবস্থা। সমার মুন্সির এর ছেলে কাওছার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা দিয়ে কিনেছেন জায়গা সহ বাড়ী। নুন আনতে পান্তা ফুরান অবস্থা থেকে মাত্র কয়েক বছরে জমি কিনেছেন ৩ বিঘা। নিজের স্ত্রীর নামে ডিজিটাল সেবা সেন্টারের উদ্যোক্তার লাইন্সেন। প্রায় ১ যুগ ধরে পরিষদে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি কুট কৌশলে পরিষদে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করেন। ঘুড়কা ইউনিয়নের রয়হাটি গ্রামের আকছেদ আলী বলেন, আমার বয়ষ্ক ভাতার কার্ড ঠিক করতে ৩ শত টাকা নিয়েছে। জঞ্জালী পাড়ার আকবর হোসেন চক গোবিন্দপুর ইয়াকুব ও হারণী গ্রামের মিনা বেগমের নিকট থেকে জন্ম নিবন্ধন বাবদ ৩০০ টাকা করে নিয়েছেন। জিয়াউর রহমানের মুখে মধু অন্তরে বিষ, নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ না দিলেই সেবা গ্রহণ কারীদের সাথে বাধে প্রতিদিন হট্টগোল, এমন কথা জানান ওই ইউনিয়নের সদস্য মোঃ নুরনবী ও শহিদুল ইসলাম। এদিকে জিয়াউর রহমানের ঔদ্ধত্য আচরণে অতিষ্ঠ পরিষদে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিরা।
অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার বিষয়ে ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কাছে অর্থ নেয়ার বিষয় টি স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার ও ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদ প্রসাশক মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক এমন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়া হবে।